ঢাকা, ১১ ফেব্রুয়ারি:
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ নিশ্চিত হওয়ার পরই কার্যত অবস্থান বদল করল বাংলাদেশ সরকার। মুস্তাফিজুর রহমান ইস্যুতে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে প্রথমে জানানো হয়েছিল, ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলবে না বাংলাদেশ। সেই সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ থেকেই বাদ পড়ে বাংলাদেশ দল।
তবে আইসিসির সম্ভাব্য শাস্তি এড়ানো এবং ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ চূড়ান্ত হওয়ার পর নিজেদের আগের অবস্থান থেকে সরে এল সরকার। এবার বিশ্বকাপে না খেলার দায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এবং ক্রিকেটারদের ঘাড়ে চাপাল তারা।
গত ২২ জানুয়ারি যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছিলেন, “আমরা আশা করছি আইসিসি বাংলাদেশ দলকে শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ খেলার অনুমতি দেবে। বাংলাদেশ সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ভারত গিয়ে বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলবে না দল। আমাদের উদ্বেগের যথেষ্ট কারণ রয়েছে।”
কিন্তু সেই বক্তব্য থেকে এবার পুরোপুরি ইউটার্ন নিল সরকার। বিশ্বকাপ খেলতে না পারা নিয়ে আক্ষেপ রয়েছে কি না—এই প্রশ্নের জবাবে আসিফ নজরুল স্পষ্ট বলেন, “আক্ষেপের কোনও প্রশ্নই নেই। এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও ক্রিকেটাররাই নিয়েছে। দেশের সম্মান রক্ষার জন্য ক্রিকেটাররা আত্মত্যাগ করেছে।”
সরকারের এই অবস্থান বদল ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। একদিকে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়া, অন্যদিকে দায় এড়ানোর চেষ্টা—সব মিলিয়ে চাপের মুখে এখন বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রশাসন ও খেলোয়াড়েরা।
