বি. নাথ : পুকুর কিংবা জলাশয় ভরাটের বিরুদ্ধে বারবার কড়া বার্তা দিচ্ছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্ত মুখ্যমন্ত্রীর সেই হুঁশিয়ারিকে উপেক্ষা করেই রাজ্যে পুকুর ভরাট অব্যাহত। এবার জমি মাফিয়ারা থাবা বসালো কাঁচরাপাড়া পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রুদল সিং রোডে। সেখানে ৮-১০ কাঠা আয়তনের একটি মজে যাওয়া পুকুর আবর্জনা দিয়ে ৭৫ শতাংশ বুজিয়ে ফেলা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, পুরসভার ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে এবং বীজপুর থানার কাছে পিটে শোভা সিংয়ের নামাঙ্কিত পুকুর আজ প্রায় অবলুপ্তির পথে। যদিও পুকুর ভরাট রুখতে স্থানীয় প্রশাসন কিংবা পুর কর্তৃপক্ষ উদাসীন। কোনও হেলদোল নেই। জলাশয় ভরাটের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন বীজপুর কেন্দ্রের গেরুয়া শিবিরের লড়াকু যুব নেতা সুদীপ্ত দাস। তিনি বলেন, কাঁচরাপাড়া শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবাধে চলছে পুকুর ভরাটের মতো অবৈধ কাজ। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল নেতাদের মদতেই ওখানে পুকুর ভরাট করা হচ্ছে। আর পুকুর ভরাটের এই টাকা ৭৫/২৫ অনুপাতে তৃণমূল নেতাদের কাছে পৌঁছে যাবে। সুদীপ্তের কথায়, ১৯৯৮ সাল থেকে যারা সিপিএমের বিরুদ্ধে লড়াই করে তৃণমূলকে ক্ষমতায় এনেছেন। তাঁরাই আজ তৃণমূলে নেই। জমি মাফিয়া থেকে শুরু করে সিন্ডিকেট রাজ, গুন্ডা-মস্তান, এঁরাই এখন তৃণমূলের সম্পদ। পুকুর ভরাট নিয়ে কাঁচরাপাড়া শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি খোকন তালুকদার বলেন, তিনি বিষয়টি পুরপ্রধান ও উপ-পুরপ্রধানকে জানাবেন। তবে পুকুর ভরাট রুখতে বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপও গ্রহণ করা হবে।
কাঁচরাপাড়ায় পুরসভার নাকের ডগায় পুকুর চুরি, উদাসীন প্রশাসন
