বি. নাাথ : রাজ্য রাজনীতিতে ইন্দ্রপতন। সোমবার ভোর রাতে সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। তাঁর মৃত্যুতে বঙ্গ রাজনীতিতে অপূরণীয় ক্ষতি হল। যুব কংগ্রেস করার সময় থেকে মমতার সঙ্গে তাঁর সখ্যতা হয়। জন্মলগ্ন থেকেই তিনি তৃণমূলে ছিলেন। একদা তিনি তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড ছিলেন। সারদা ও নারদ কাণ্ডে নাম জড়াতেই মমতার সঙ্গে তাঁর দূরত্ব তৈরি হয়। ২০১৭ সালে তিনি গেরুয়া শিবিরে নাম লেখান। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে তিনি বিধায়ক হন। তারপর ফের তিনি তৃণমূলে ফেরেন। কিন্তু তিনি রাজনীতির আড়ালেই ছিলেন। সল্টলেকের এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। মুকুল পুত্র শুভ্রাঅংশু রায় বলেন, বাবা ৬০০ দিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। বাবার মৃত্যুতে কার কি ক্ষতি হল জানি না। তবে আমার মাথার ওপর থেকে ছাদ চলে গেলেন। ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, একজন বড় রাজনীতিবিদকে আমরা হারালাম।
রাজ্য রাজনীতিতে ইন্দ্রপতন, প্রয়াত চাণক্য মুকুল রায়
