চৈত্র নবরাত্রি উপলক্ষে আয়োজিত ‘Together 25’ অনুষ্ঠান ঘিরে দিল্লিতে তৈরি হয়েছে বিশেষ আলোচনা। এই অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় ‘ভজন ক্লাবিং’, যেখানে ভক্তিমূলক সংগীতের সঙ্গে আধুনিক উপস্থাপনার মেলবন্ধন ঘটানো হয়। আয়োজকদের দাবি, সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত পরিবেশে এই উদ্যোগ আধ্যাত্মিক পুনর্জাগরণের এক নতুন দিশা দেখিয়েছে।
এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী গুপ্তা, যিনি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে বিজেপির প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি শ্রী শ্রী রবিশঙ্করের উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, এই ধরনের অনুষ্ঠান শহরে নতুন প্রাণসঞ্চার করে। পাশাপাশি তিনি প্রাচীন জ্ঞান ও আধুনিক জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা এবং নৈতিক অর্থনীতির গুরুত্বের উপরও জোর দেন।
তবে এই অনুষ্ঠান ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। একাংশের মতে, দূষণ, ভেঙে পড়া সেতু ও এলপিজি-র উচ্চমূল্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা থাকা সত্ত্বেও এই ধরনের অনুষ্ঠানে প্রশাসনের গুরুত্ব দেওয়া প্রশ্নের মুখে ফেলছে সরকারকে।
অন্যদিকে, সমর্থকদের দাবি, এই ধরনের সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক আয়োজন সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সহায়ক হয়।
সব মিলিয়ে, ‘Together 25’ শুধু একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়, বরং তা দিল্লির বর্তমান সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।



