আজ জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ের বৈসরন উপত্যকায় পর্যটকদের উপর হয়ে গেল ভয়াবহ জঙ্গিহামলা। মঙ্গলবার পর্যটকদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় জঙ্গিরা। এর ফলে ২৭জন পর্যটক আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ইতিমধ্যেই আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। বেশ কয়েক জন পর্যটক ট্রেকিং করার সময় তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়। মনে করা হচ্ছে পর্যটকদের ভিড়ে মিশে ছিল জঙ্গিরা। ঘটনার পরই সেনা এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। আহতদের মধ্যে তিন স্থানীয় এবং তিন জন রাজস্থানের, তবে বাকিদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে ।
জম্মু-কাশ্মীরের আকর্ষণীয় পর্যটনস্থলগুলির মধ্যে পহেলগাঁও সবথেকে জনপ্রিয়। প্রতি বছর পহেলগাঁওয়ে প্রচুর পর্যটক আসেন। সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করেই ট্রেকিং করা একটি দলকেই নিশানা করে জঙ্গিরা। তারা সংখ্যায় কত জন ছিল, এখনও জানা যায়নি। এদিকে ৩ জুলাই থেকে শুরু হতে চলেছে অমরনাথ যাত্রা। এর মধ্যে এই সন্ত্রাসবাদী হামলা নিয়ে ভূস্বর্গের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন আর যাত্রীদের মধ্যেও বাড়ছে উদ্বেগ।
প্রশ্ন উঠছে ভারতীয় সেনা চাইলে পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের মধ্যে আনতে সময় লাগে না। কিন্তু নরেন্দ্র মোদি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বাড়ির বিয়েতে উপস্থিত থাকেন। তাই সেই কড়া নির্দেশ সেনাবাহিনীর কাছে যায় না বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। পার্লামেন্টে বলা হয় ৩৭০ বিলোপ হলে নাকি কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদ থাকবে না আর, এদিকে সাধারণ ভারতীয় পর্যটকদের বিনা অপরাধে জঙ্গিগোষ্ঠীর গুলিতে মৃত্যুবরণ করতে হচ্ছে। খবর ছিলই জঙ্গিহানার, নাহলে দুদিন আগেই রাষ্ট্রপতির সফর বাতিল হল কেন?? পুলওয়ামায় ৪০জন শহিদ জওয়ানের লাশের বিনিময়ে সরকার গড়ে, এবার কি তবে ২০২৬ এর বৈতরণী পার করার চেষ্টা?
