একসময় ছিলেন মেধাবী চিকিৎসক। আজ দক্ষিণ কলকাতার নাকতলা, রামগড় কিংবা বাঘাযতীনের রাস্তায় তাঁকে চেনে মানুষ এক ভবঘুরে হিসেবেই। মানসিক অসুস্থতার কঠিন গ্রাসে বদলে গেছে ড. সৌরভ ঘোষের জীবন।

হাতের কাছে কলম আর কাগজ পেলেই যেন পুরনো পরিচয় ফিরে আসে। একের পর এক ওষুধের নাম, ডোজ, ইনজেকশন লিখে চলেন নিখুঁতভাবে। প্রেসক্রিপশনের শেষে এখনও লেখা থাকে তাঁর নাম ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর—WBMC 60314।নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন এই ছাত্র ২০০৩ সালের আশপাশে চিকিৎসাশাস্ত্রে উত্তীর্ণ হন। পড়াশোনায় কৃতী পরিবারে জন্ম হলেও একের পর এক পারিবারিক মৃত্যু ও মানসিক অসুস্থতা সৌরভের জীবনকে ভেঙে দেয়। আজ তিনি নিজের বাড়ির এক কোণে, অবহেলায় দিন কাটান।তবে স্থানীয় কিছু মানুষের মানবিকতায় এখনও টিকে আছেন তিনি। অনেকের দাবি, সৌরভের লেখা প্রেসক্রিপশনে আজও প্রাথমিক উপকার মেলে। জীবন থেমে গেলেও, তাঁর চিকিৎসকসত্তা যেন এখনও হারিয়ে যায়নি।
