বলিউড অভিনেত্রী পূজা ভাট তাঁর কেরিয়ার শুরু করেছিলেন বাবা মহেশ ভাটের পরিচালনায়। পরে তিনি অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনা ও পরিচালনাতেও কাজ করেন। তবে আজও ‘সড়ক’, ‘দিল হ্যায় কি মানতা নাহি’ এবং ‘জখম’-এর মতো ছবির জন্যই তাঁকে বেশি মনে রাখেন দর্শক।
১৯৯১ সালে মুক্তি পাওয়া ‘সড়ক’ ছবিতে পূজা ভাটের বিপরীতে ছিলেন সঞ্জয় দত্ত। ছবির একটি দৃশ্যে দুই প্রধান চরিত্রের মধ্যে চুম্বনের দৃশ্য ছিল। কিন্তু সেই দৃশ্য করতে প্রথমে রাজি হননি সঞ্জয় দত্ত।
সম্প্রতি নিজের পডকাস্ট ‘দ্য পূজা ভাট শো’-তে এই ঘটনার কথা জানান পূজা। তিনি বলেন, সেই সময় তাঁকে সঞ্জয় দত্তকে চুমু খাওয়ার একটি দৃশ্যে অভিনয় করতে হত, আর সেটি করতে তিনি ভীষণ অস্বস্তি বোধ করছিলেন। অন্যদিকে সঞ্জয় দত্তও রাজি হননি। কারণ তিনি ছোটবেলা থেকেই পূজাকে চিনতেন। সঞ্জয় নাকি বলেছিলেন, “আমি ওকে ছোটবেলা থেকে দেখেছি, আমি ওকে চুমু খাব না।”
এই কথা শুনে পরিচালক মহেশ ভাট নাকি সঞ্জয় দত্তকে ভণ্ডামির অভিযোগ করেন। পূজার কথায়, তাঁর বাবা তখন বলেছিলেন, “এটা সম্পূর্ণ ভণ্ডামি। যদি তুমি ওকে চুমু খেতে না পারো, তাহলে অন্য কারও মেয়েকে চুমু খাওয়ারও তোমার অধিকার নেই।”
১৯৯০-এর দশকে মহেশ ভাট ও পূজা ভাট একসঙ্গে একাধিক ছবিতে কাজ করেছেন। ‘ড্যাডি’, ‘দিল হ্যায় কি মানতা নাহি’, ‘সড়ক’, ‘তাদিপার’, ‘নারাজ’ এবং ‘জখম’ তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য।
১৯৯৯ সালে ‘কার্তুস’ ছবির পর মহেশ ভাট পরিচালনা থেকে কিছুটা দূরে সরে যান এবং বিশেশ ফিল্মসের পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করতে শুরু করেন। পরে ২০২০ সালে তিনি আবার পরিচালনায় ফেরেন ‘সড়ক ২’ ছবির মাধ্যমে। সেই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন সঞ্জয় দত্ত, আদিত্য রায় কাপুর ও আলিয়া ভাট। তবে ছবিটি মুক্তির পর খুব একটা ভালো সাড়া পায়নি।
২০২৪ সালে এক সাক্ষাৎকারে মহেশ ভাট নিজেকে “পুরনো” এবং “সময়ের বাইরে চলে যাওয়া” পরিচালক বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, ভবিষ্যতে আর পরিচালনায় ফেরার ইচ্ছে তাঁর নেই।
