পিএম কেয়ার্স ফান্ড সংক্রান্ত কোনো প্রশ্ন সংসদে তোলা যাবে না—এই মর্মে স্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছে কেন্দ্র সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে Lok Sabha Secretariat-কে জানানো হয়েছে, পিএম কেয়ার্স ফান্ড সম্পূর্ণভাবে স্বেচ্ছানুদানের উপর নির্ভরশীল এবং এতে কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেট থেকে কোনো অর্থ বরাদ্দ করা হয় না। ফলে এই তহবিলকে সংসদীয় নজরদারির আওতায় আনার কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা নেই বলেই মত কেন্দ্রের।
সরকারি এই অবস্থানের পরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে বিতর্ক। বিরোধী দলগুলির দাবি, জনগণের অনুদানে গঠিত একটি তহবিল হলে সেখানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি থাকা অপরিহার্য। বিশেষ করে কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলার জন্য গঠিত এই তহবিলে বিপুল অঙ্কের অর্থ জমা পড়লেও তার ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব প্রকাশ্যে না আনার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীরা
Indian National Congress সহ একাধিক বিরোধী দলের বক্তব্য, জনসাধারণের অনুদানে পরিচালিত কোনো ফান্ড যদি সম্পূর্ণভাবে সংসদীয় প্রশ্নের বাইরে থাকে, তাহলে তা গণতান্ত্রিক স্বচ্ছতার পরিপন্থী। তাদের মতে, পিএম কেয়ার্স ফান্ডের আয় ও ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ্যে আনা উচিত।
তবে কেন্দ্র সরকার পিএম কেয়ার্স ফান্ডকে একটি জনকল্যাণমূলক ট্রাস্ট হিসেবে ব্যাখ্যা করে নিজেদের অবস্থানে অনড় রয়েছে। সরকারের দাবি, যেহেতু এই তহবিল সরকারি কোষাগারের অংশ নয়, তাই এটি সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্ব বা অন্যান্য সংসদীয় প্রক্রিয়ার আওতাভুক্ত নয়। এই অবস্থান ঘিরেই বর্তমানে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে।
