বিজেপি নেতা ও নামী ব্যবসায়ী গোপাল খেমকা হত্যাকাণ্ডে নয়া মোড়

গত ৪ জুলাই, শুক্রবার রাতে বিজেপি নেতা ও ব্যবসায়ী গোপাল খেমকাকে গুলি করে খুন করে দুষ্কৃতীরা। পাটনার গান্ধী ময়দান এলাকায় গাড়ি থেকে নামার সময় তাঁকে লক্ষ করে গুলি চালায় বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় খেমকার। রবিবার তাঁর শেষকৃত্যে এসেছিলেন শোকার্ত পরিজনেরা। কিন্তু সেখান থেকেই পুলিশের জালে ধরা পড়লেন এক সন্দেহভাজন।পুলিশ পাটনার পুনপুন এলাকার বাসিন্দা রোশন কুমারকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। মনে করা হচ্ছে গোপাল খেমকার খুনের ষড়যন্ত্রে জড়িত রয়েছেন এই ব্যক্তি। এই খুন পূর্বপরিকল্পিত এবং এতে একাধিক ব্যক্তি জড়িত রয়েছে এই দাবি পুলিশ আগেই করেছিল। তদন্ত শেষ না হলেও প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, অন্তত দু’জন গোপালবাবুর গতিবিধি নজরে রাখছিলেন। একজন আততায়ী ছিল ব্যাঙ্কিপুর ক্লাবে, যেখান থেকে রাতে বেরিয়েছিলেন ব্যবসায়ী। দ্বিতীয় আততায়ী ছিল বিসকমন টাওয়ারের কাছে, গান্ধী ময়দানে। আপাতত ব্যাঙ্কিপুর ক্লাব, গান্ধী ময়দান, বুদ্ধ কলোনি ও ইনকাম ট্যাক্স গোলাম্বার এলাকাগুলির সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রোশন কুমার ঠিক কীভাবে জড়িত, সেটা পুলিশের কাছে এখনও স্পষ্ট নয় তবে শেষকৃত্যে উপস্থিত থাকার পর থেকেই তাঁকে নজরে রেখেছিল পুলিশ। দশজনেরও বেশি ব্যক্তিকে এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।খেমকার মতো প্রভাবশালী ব্যবসায়ীর এহেন মৃত্যুতে আতঙ্কে বিহারের ব্যবসায়ীরা। তাঁরা প্রশ্ন তুলছেন রাজ্যে তাঁদের নিরাপত্তা নিয়ে। রাজ্য সরকারের তরফে সব অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে আশ্বাস দিলেও নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে একেবারেই নিশ্চিত হতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *