বি. নাথ : ইতিহাস বলছে, টগবগে বামজমানায় তৃণমূলের একমাত্র সলতে বিধায়ক ছিলেন ভাটপাড়ার অর্জুন সিং। জননেতা হিসেবে শিল্পাঞ্চল জুড়ে তিনি একাই চষে বেড়াতেন। কিন্তু তৎকালীন সময়ে ঘাসফুলের লড়াকু নেতার বড্ড অভাব ছিল। বাহুবলী খ্যাত অর্জুন সিং তখন বামেদের চোখে চোখ রেখে লড়াই করতেন। যদিও এখন সবই বিস্মৃতির অতলে। দলের সুদিনে জন্ম নিয়েছে একাধিক নতুন ঘাসফুল নেতা। ব্যারাকপুরের বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীও সুদিনেই বিধায়ক হয়েছেন। সিঙ্গুর কিংবা নন্দীগ্রামের আন্দোলন রাজের কাছে অজানা বটে। অথচ তিনিই এখন বামজমানায় লড়াই করা অর্জুন সিং-কে নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধেয় ব্যারাকপুর পুরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নাগরিক সভায় বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী আক্ষেপের সূরে বলেছেন, ওই ওয়ার্ডের মানুষেরা অর্জুন সিং-কেই পছন্দ করেন। তাঁর আক্ষেপ, এত পরিষেবা দেওয়া সত্ত্বেও, ওই ওয়ার্ডের মানুষ অর্জুন সিং-কেই চাইছেন। বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীর এহেন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে পাল্টা জবাবে ব্যারাকপুর কেন্দ্রের প্রাক্তন সংসদ অর্জুন সিং বলেন, তিনি ২৪×৭ মানুষের পরিষেবা দিয়ে থাকেন। তিনি রোজগার করে মানুষের সেবা করেন। কিন্তু তৃণমূল নেতারা দলকে ব্যবহার করে রোজগার করেন। তাঁর দাবি, ব্যারাকপুর থেকে বীজপুর ছয়টি কেন্দ্রেই এবারে তৃণমূল হারবে। রাজকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, উনি এখন চলচ্চিত্র প্রযোজক নন। উনি গুন্ডা প্রযোজক। ওনার সঙ্গে গুন্ডারা থাকে। ওনার সব ছবি এখন ফ্লপ হচ্ছে। সেই ফ্লপ ছবির ধার-দেনা মেটাতে ওনাকে তোলাবাজি করতে হয়। তাঁর দাবি, অর্জুন সিংকে গুন্ডারা ভয় পায়। আর উনি গুন্ডাদের নিয়ে ঘুরে বেড়ান। এটাই তো উভয়ের মধ্যে তফাৎ।
ব্যারাকপুরের মানুষ অর্জুনকেই চান, বললেন রাজ
