Site icon PrimeTime

বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে মতিউর রহমান, মালদহে শক্তি বাড়াল ঘাসফুল শিবির ভোটের আগে

5 2 1024x536

ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের আগে আরও শক্তিবৃদ্ধি হল তৃণমূল কংগ্রেসের। শনিবার শাসক দলে যোগ দিলেন মালদহের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবী মতিউর রহমান

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন মতিউর। কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই কেন্দ্রে বিজেপিকে ভোটের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে তুলে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি।

শনিবার কলকাতার তৃণমূল ভবনে শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু এবং রাজ্যসভার সাংসদ নাদিমুল হকের উপস্থিতিতে তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নেন মতিউর রহমান

‘গরিবের বন্ধু’ মতিউর

মালদহ জেলায় ‘গরিবের বন্ধু’ হিসেবেই পরিচিত মতিউর রহমান। বিভিন্ন সময়ে মেডিক্যাল ক্যাম্প, সমাজসেবা এবং গরিব মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কাজ করেছেন তিনি।

ব্রাত্য বসু বলেন,
“আমি নিশ্চিত সাধারণ মানুষ বিজেপিকে দেখে ভোট দেয়নি। মতিউর নিজের ক্যারিশ্মায় বিজেপিকে দ্বিতীয় স্থানে তুলেছিলেন।”

তিনি আরও জানান, এসআইআর (SIR) ইস্যুতে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত জেলাগুলির মধ্যে মালদহ অন্যতম, আর সেই প্রতিবাদেই মতিউরের তৃণমূলে যোগদান গুরুত্বপূর্ণ।

নাদিমুল হকের বক্তব্য

রাজ্যসভার সাংসদ নাদিমুল হক বলেন,
“মতিউর একজন সমাজসেবী এবং সফল ব্যবসায়ী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে গরিব মানুষের জন্য কাজ করছেন। তৃণমূলে যোগ দিয়ে তিনি সাধারণ মানুষের জন্য আরও বড় পরিসরে কাজ করতে পারবেন।”

কেন বিজেপি ছাড়লেন?

তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর মতিউর রহমান বলেন,
“১৪-১৫ বছর আগে বাংলায় তেমন উন্নয়ন ছিল না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যে উন্নয়ন হয়েছে। সেই কারণেই তৃণমূলে যোগ দিলাম।”

তিনি আরও জানান,
প্রায় এক বছর আগেই বিজেপির সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন। বিজেপি ভাঙনের রাজনীতি করছে বলেই তিনি দল ছেড়েছেন বলে দাবি করেন।

মতিউরের কথায়,
“আমি ও দিদি একই কাজ করি। আমরা দু’জনেই গরিব মানুষের জন্য কাজ করি। সেই কারণেই তৃণমূলে যোগদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

রাজনৈতিক মহলের মতে, এই যোগদানের ফলে মালদহ জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসের সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে

Exit mobile version