উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়, কুলতলি : বিদ্যুতের পোস্টে বর্ণ পরিচয়ের মাধ্যমে শিক্ষার পাশাপাশি এবার বইয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে সুন্দরবনের কুলতলির দেউলবাড়িতে তৈরি হলো বইয়ের লাইব্রেরী। সুন্দরবনের প্রত্যন্ত অঞ্চলে একেবারে পিছিয়ে পড়া পরিবারের স্কুল ছুট শিশুদের শিক্ষার আলোয় ফিরিয়ে আনতে কয়েক বছর ধরে দেউলবাড়ি গ্রামের যুবক পুলক মন্ডলের উদ্যোগে স্বামীজী শিশু পাঠশালা নামে এক টাকার বিনিময়ে শিশুদের জন্য শিক্ষাকেন্দ্র গড়ে উঠেছে।আর এখানে শিশুদের পঠনপাঠনের পাশাপাশি সামাজিক কাজ ও এই পুলক মন্ডলের হাত ধরে চলছে।এর পোষাকি নাম স্বামীজী শিশু পাঠশালা হলে ও সবার কাছে সুন্দরবনের এক টাকার পাঠশালা নামে পরিচিত। এই পাঠশালার উদ্যোগে শিশু দের লেখাপড়ার প্রতি মনোযোগ বাড়ানোর জন্য গ্রামের রাস্তার দুই পাশে বিদ্যুতের খুঁটির উপর বর্ন পরিচয় সাজিয়ে তোলা হয়েছে। এছাড়াও ছোট,বড়ো সবার জন্য খোলা হয়েছে বইয়ের লাইব্রেরী।যেখানে বইপ্রেমীদের জন্য রাখা হয়েছে গল্পের বই, কবিতার বই, উপন্যাসের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ধর্মগ্রন্থ।এই লাইব্রেরীতে বসে পড়ার পাশাপাশি পছন্দের বই নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার সু ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।এই লাইব্রেরীর ঘরটি নির্মাণ করে দিয়েছেন পবন অলকা রাজগারিয়া ফাউন্ডেশন এবং এই লাইব্রেরীর ফার্নিচারের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন লজ অ্যাঙ্কর অ্যান্ড হোপ।এই স্বামীজী শিশু পাঠশালার প্রধান পুলক মন্ডল এব্যাপারে বলেন, এই লাইব্রেরীতে আপনাদের বাড়িতে থাকা পুরনো বা অব্যবহৃত গল্প ও কবিতার বই গুলো এই পাঠশালায় দান করে আমাদের সংগ্রহ বৃদ্ধিতে সাহায্য করুন। আপনাদের সামান্য সহযোগিতা আমাদের পাঠশালাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।আর পুলকের হাত ধরে বইয়ের প্রতি শিশুদের আগ্রহ বেড়ে চলায় খুশি অভিভাবকদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ ও।
বিদ্যুতের পোস্টে বর্ণ পরিচয়ের পাশাপাশি বইয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে তৈরি হল গ্রন্থাগার
