পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা ক্রমশ বিপজ্জনক রূপ নিচ্ছে। প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট entity[“politician”,”Donald Trump”,”45th us president”]-এর ধারাবাহিক হুমকির আবহে এবার সরাসরি হুঁশিয়ারি দিল ইরান। তেহরানের স্পষ্ট বার্তা—কোনও হামলা হলে মুহূর্তের মধ্যেই কড়া জবাব দিতে প্রস্তুত দেশের সশস্ত্র বাহিনী।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা entity[“people”,”Ayatollah Ali Khamenei”,”iran supreme leader”]-এর প্রশাসনকে লক্ষ্য করে ক্রমাগত সুর চড়াচ্ছেন ট্রাম্প। পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে চাপ বাড়ানোর পাশাপাশি খামেনেই-বিরোধী আন্দোলনেও প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে টানাপোড়েন আরও তীব্র হয়েছে।
উত্তেজনার মাঝেই ইরানের অবস্থান স্পষ্ট করে দেন বিদেশমন্ত্রী entity[“people”,”Abbas Araghchi”,”iran foreign minister”]। নাম না করলেও তাঁর বক্তব্য যে আমেরিকার দিকেই ইঙ্গিতবাহী, তা স্পষ্ট। তিনি জানান, ইরানের সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে।
আরঘচির কথায়, “আমাদের সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত। ট্রিগারে আঙুল রেখেই তারা অপেক্ষা করছে। ইরানের ভূখণ্ড, আকাশসীমা বা জলসীমায় সামান্য আঘাত এলেই সঙ্গে সঙ্গে শক্তিশালী পাল্টা জবাব দেওয়া হবে।”
পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে পশ্চিম এশিয়ার কাছাকাছি সমুদ্রে মার্কিন রণতরী entity[“organization”,”USS Abraham Lincoln”,”us navy aircraft carrier”]-এর উপস্থিতিতে। এতে যে সামরিক উত্তেজনার পারদ আরও চড়েছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
তবে কড়া অবস্থানের পাশাপাশি আলোচনার দরজাও পুরোপুরি বন্ধ করেনি তেহরান। বুধবার আরঘচি জানান, পরমাণু চুক্তি নিয়ে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত ইরান, তবে সেই চুক্তি হতে হবে ন্যায্য ও পক্ষপাতহীন।
সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, “ইরান এমন একটি পরমাণু চুক্তিকেই সমর্থন করে, যেখানে উভয় পক্ষের সমান অধিকার ও সুবিধা থাকবে। কোনও ধরনের জোরজবরদস্তি, হুমকি বা ভয় দেখিয়ে চাপ সৃষ্টি করা চলবে না।”
একইসঙ্গে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আবারও দাবি করেন, তেহরানের পরমাণু অস্ত্র তৈরির কোনও অভিপ্রায় নেই। তবে শান্তিপূর্ণ প্রয়োজনে পরমাণু কার্যকলাপ চালিয়ে যাওয়ার অধিকার ইরানের রয়েছে, এবং ভবিষ্যৎ যে কোনও চুক্তিতে সেই অধিকার নিশ্চিত করতেই হবে।
সব মিলিয়ে, সামরিক প্রস্তুতি ও কূটনৈতিক বাকযুদ্ধের জেরে আমেরিকা–ইরান সম্পর্ক এখন চরম উত্তেজনার পথে। যার প্রভাব গোটা পশ্চিম এশিয়াতেই পড়তে পারে বলে আশঙ্কা বাড়ছে।
