২১ মার্চ আন্তর্জাতিক বন দিবস উপলক্ষে ‘Forests and Economies’ থিমে এবার ভারতের বন ও বন্যপ্রাণ সংরক্ষণে সাফল্যের ছবি সামনে তুলে ধরা হল। পরিবেশ রক্ষা থেকে অর্থনীতির চাকা সচল রাখা—সব ক্ষেত্রেই বনের গুরুত্বের কথা উল্লেখ করেছেন বিভিন্ন মহলের প্রতিনিধিরা।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সাল থেকে অসমে ১৬,০০০ হেক্টরেরও বেশি বনভূমি দখলমুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২০২৬ সালের মধ্যে দেশের মোট বনাঞ্চল বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭.৭৫ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার। এই বিস্তীর্ণ বনভূমি প্রতি বছর প্রায় ১৫০ মিলিয়ন টন কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করছে, যা ভারতকে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ কার্বন সিঙ্ক হিসেবে তুলে ধরছে।
এদিকে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একাধিক ভিডিওতে দেখা গেছে অসম ও তামিলনাড়ুর আনামালাই টাইগার রিজার্ভে হাতির দল স্বাভাবিকভাবে বিচরণ করছে। এই দৃশ্যগুলি শুধু বন্যপ্রাণের উন্নত বাসস্থানের ইঙ্গিতই দেয় না, বরং বন সংরক্ষণের ইতিবাচক প্রভাবও তুলে ধরে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বন শুধু জীববৈচিত্র্যের আশ্রয়স্থল নয়, এটি লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবিকা ও দেশের অর্থনীতির সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলায় বনভূমির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক বন দিবসে ভারতের এই অগ্রগতি একদিকে যেমন আশার বার্তা দিচ্ছে, তেমনই ভবিষ্যতে আরও টেকসই উন্নয়নের পথে এগোনোর বার্তাও দিচ্ছে।
