আমেদাবাদ, ১৮ ফেব্রুয়ারি : সুপার এইটে ওঠা আগেই নিশ্চিত ছিল। এবার নেদারল্যান্ডসকে ১৭ রানে হারিয়ে গ্রুপে চারে চার করল ভারত। চার ম্যাচে পূর্ণ ৮ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ সেরা সূর্যকুমার যাদবরা। রবিবার আমেদাবাদেই সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে ভারত।
১৯৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা খারাপ ছিল না নেদারল্যান্ডসের। ৩৫, ৫১ ও ৯৪ রানে পড়ে প্রথম তিন উইকেট। একসময় ৯৪/২ দেখে মনে হচ্ছিল ম্যাচে লড়াই থাকবে। কমলা জার্সির দল একসময় ফুটবল দুনিয়া কাঁপিয়েছে—Johan Cruyff, Ruud Gullit, Johan Neeskens, Dennis Bergkampদের দেশ। কিন্তু ক্রিকেটে সেই ধার নেই। ৯৪/২ থেকে ২০ ওভারে ১৭৬/৭—সেখানেই থামে ডাচদের ইনিংস।
স্পিনেই ম্যাচের মোড় ঘোরে। বরুণ ১৪ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ডাচদের চাপে ফেলেন। শিবম নেন দুটি উইকেট। ম্যাচের সেরা হন বরুণই। ওপরে লেভিট (২৪), ও’ডাউড (২০) ও ডি লিড (৩৩) লড়াইয়ের চেষ্টা করেছিলেন। পরে ক্যাচেট (২৬) ও ক্রোয়েস (২৫*) কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও জয়ের জন্য তা যথেষ্ট ছিল না।
ভারতের ইনিংসে আবারও ব্যর্থ অভিষেক শর্মা। ইনিংসের তৃতীয় বলেই আউট। টানা তিন ম্যাচে তিন শূন্য—ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন উঠছেই। শুরুতে চাপ সামলাতে না পেরে বড় শটের চেষ্টাই কাল হলো তাঁর। সাত ম্যাচে পাঁচবার শূন্য—অস্বস্তিকর পরিসংখ্যান।
ঈশান কিশান (১৮) অদ্ভুতভাবে আউট হন—পুল করতে গিয়ে বল শরীরে লেগে স্ট্যাম্পে। তিলক (৩১, ২৭ বল) ছিলেন টপ অর্ডারে সবচেয়ে স্বচ্ছন্দ। কিন্তু প্রাক্তন দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেটার Roelof van der Merweর দারুণ ক্যাচে থামেন তিনি।
সূর্য (৩৪) ও শিবম (৬৬) চতুর্থ উইকেটে ৪১ রান যোগ করে দলকে এগিয়ে দেন। পরে হার্দিকের সঙ্গে শিবমের ৭৬ রানের জুটি ম্যাচের ভিত্তি গড়ে দেয়। ২৯ বলে ৫০ রান আসে এই জুটি থেকে। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ভারতের সংগ্রহ ১৯৩/৬। রিঙ্কু (৬*) ও হার্দিক (৩০*) অপরাজিত থাকেন।
শেষ পর্যন্ত এই রানই যথেষ্ট প্রমাণিত হয়। নিয়ন্ত্রিত বোলিং ও স্পিনের দাপটে নিখুঁত রেকর্ডে গ্রুপপর্ব শেষ করল ভারত। এখন লক্ষ্য সুপার এইটে বড় লড়াই।
