নয়াদিল্লি, ১২ ফেব্রুয়ারি : নামিবিয়া আগে ব্যাট করল না কেন? ২০৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ছয় উইকেট হারানোর পরই প্রশ্ন তুলেছিলেন রবি শাস্ত্রী। তাঁর মতে, বড় দলের বিরুদ্ধে অ্যাসোসিয়েট দেশগুলোর আগে ব্যাট করাই বুদ্ধিমানের— তাতে রান তাড়া করার বাড়তি চাপ নিতে হয় না।
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারতের সামনে নামিবিয়া শেষ পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারেনি। যদিও পাওয়ার প্লে-তে ১ উইকেট হারিয়ে ৬০-এর বেশি রান তুলে তারা লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিয়েছিল। কিন্তু এরপরই ভাঙন। স্টিনক্যাম্প (২৯) ও ফ্রাইলিংক (২২) ভালো শুরু করলেও মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় ম্যাচ হাতছাড়া হয়। স্মিট প্রথম বলেই বরুণের বলে বোল্ড— অভিজ্ঞতার অভাবই স্পষ্ট।
২০ ওভার টিকে থাকার লড়াইতেও ব্যর্থ নামিবিয়া। বুমরার ইয়র্কারে ট্রামপেলম্যানের বোল্ড হওয়া ম্যাচের টার্নিং পয়েন্টগুলির একটি। বরুণ নেন ৩ উইকেট। ব্যাটে ৫২ ও বলে ২১ রানে ২ উইকেট— অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ম্যাচসেরা হার্দিক পান্ডিয়া। ৯৩ রানে জিতে ম্যাচ একতরফা করে ভারত।
ভারত তোলে ২০ ওভারে ২০৯/৯ (রান রেট ১০.৪৫)। শুরুতে ঈশান কিশান (৬১) ঝোড়ো ব্যাটিং করেন, মাত্র ২০ বলেই ছুঁয়ে ফেলেন অর্ধশতরান। পরে হার্দিকের ৫২ রানের ইনিংস স্কোরকে এগিয়ে দেয়। তবে তিলক (২৫), সূর্য (১২), শিবম (২৩), রিঙ্কু (১), অক্ষর (০) দ্রুত আউট হওয়ায় বড় জুটি গড়ে ওঠেনি। সঞ্জুও ৮ বলে ২২ করে সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি।
নামিবিয়া অধিনায়ক ইরাসমুস ২০ রানে ৪ উইকেট নিলেও ভারতীয় ব্যাটারদের শট নির্বাচনের ভুলই তাঁকে বেশি সাহায্য করেছে। ৭ ওভারে ভারতের দ্রুততম দলগত শতরান আসে। ২৪ বলে ৬১ করে ঈশান ফেরার সময় আট ছক্কা হজম করেছে নামিবিয়া বোলাররা।
অভিষেক শর্মা ফুড পয়জনিংয়ের কারণে খেলেননি। হাসপাতালে রাত কাটানোর পর তাঁকে ঝুঁকি না নিয়ে বিশ্রাম দেওয়া হয়। সেই জায়গায় সুযোগ পেয়েও সঞ্জু স্যামসন বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ।
শেষ পর্যন্ত ফলাফল একপেশে হলেও, বড় মঞ্চে খেলার অভিজ্ঞতা নামিবিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হয়ে রইল। আর ভারতের জন্য— জয় এলেও ব্যাটিংয়ের ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই।
