সৌভিক দত্ত, ময়নাগুড়ি : রামকে গাছে বেঁধে পেটাবে, আমি শুনলাম। শুনে রাখুন যারা বলেছেন তাদের বলি, গাছটাও আমাদের। গাছকে ভালোবাসতে শিখুন। গাছটা বেঁধে পেটানোর জন্য নয়। ময়নাগুড়ির সভায় প্রার্থী রামমোহন রায়ের হাত ধরে বিরোধী শিবিরকে এই বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। নির্বাচন ঘোষণার হওয়ার পর গতকাল উত্তরবঙ্গ সফরে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাত্রি বাস করেছিলেন মেটেলির একটি বেসরকারি হোটেলে। আজ সকালে তিনি টিয়াবন থেকে হেলিকপ্টারে করে ময়নাগুড়িতে তৃণমূল প্রার্থী রামমোহন রায়ের হয়ে প্রচারে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেন। মুখ্যমন্ত্রীর জনসভাকে ঘিরে নিরাপত্তার চাদরের মুড়ে ফেলা হয় গোটা ময়নাগুড়িকে। নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী ময়নাগুড়ি টাউন ক্লাব ময়দানে জনসভা শুরু হয়। উপচে পড়ে ভিড়। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর জনসভা মঞ্চে ছিলেন প্রার্থীর রামমোহন রায় সহ জেলার সভানেত্রী মহুয়া গোপ, জলপাইগুড়ি পুররসভার চেয়ারম্যান সৈকত চ্যাটার্জী। ময়নাগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান অনন্তদের অধিকারী সহ জলপাইগুড়ি জেলা ও ময়নাগুড়ি ব্লক তৃণমূল নেতৃত্ব। উল্লেখ্য বেশ কিছুদিন আগে ময়নাগুড়িতে শহরে একটি সভা করতে এসেছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তিনি এসে তৃণমূল প্রার্থী রামমোহন রায়কে নিয়ে বেশ কিছু মন্তব্য করেন। সুকান্ত মজুমদার বলেন, রামমোহন রায় একজন গ্রামীণ পুলিশ ছিলেন। রামমোহন কে স্বয়ং জেলার পুলিশ সুপার পর্যন্ত ভয় পান। পুলিশ সুপারকেও খাকি উর্দি খুলে রাখতে বলেন। এমনকি রামমোহন রায় কে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর গাছে বেঁধে রেখে পেটাবে জনগণ। এমনই মন্তব্য করেছিলেন সুকান্ত মজুমদার। আর সেই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আজকের জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সভার ঠিক শেষ মুহূর্তে রামমোহন রায়কে ডেকে নিয়ে দাঁড় করিয়ে তার হাত ধরে বলেন রাম কে গাছে বেঁধে পেটাবে, আমি শুনলাম। শুনে রাখুন যারা বলেছেন তাঁদের বলি, গাছ টাও আমাদের। গাছকে ভালোবাসতে শিখুন। বিজেপি শিবির কে এই বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।



