কলকাতা:
রাজ্য সরকারের ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ঘর নির্মাণের কাজ প্রায় সম্পূর্ণ। নবান্ন সূত্রে জানানো হয়েছে, এই পর্যায়ে প্রায় ৯৭ শতাংশ উপভোক্তা তাঁদের বাড়ি তৈরির কাজ শেষ করেছেন। পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের হিসেব অনুযায়ী, মোট ১১ লক্ষ ৬০ হাজার ৯৪৬ জন উপভোক্তার মাথার উপর পাকা ছাদের ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়েছে।
সম্প্রতি সিঙ্গুর থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রথম কিস্তির অর্থ উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠান। তার পরই প্রথম পর্যায়ের কাজের অগ্রগতির পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে রাজ্য সরকার।

উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় আবাস যোজনার অর্থ রাজ্যে না পাওয়ার অভিযোগ তুলে রাজ্য সরকার নিজস্ব উদ্যোগে ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্প চালু করে। এই প্রকল্পে প্রতিটি উপভোক্তাকে দু’টি কিস্তিতে ৬০ হাজার টাকা করে মোট ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর ও ২০২৫ সালের মে মাসের মধ্যে উপভোক্তারা এই দুই কিস্তির টাকা পেয়েছেন বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।
রাজ্য সরকারের দাবি, মাত্র চার মাসের মধ্যেই অধিকাংশ উপভোক্তা ঘর নির্মাণের কাজ শেষ করতে পেরেছেন। যেখানে কেন্দ্রীয় আবাস যোজনায় নানা নিয়ম ও প্রক্রিয়ার কারণে বাড়ি সম্পূর্ণ হতে দেড় থেকে দু’বছর সময় লেগে যায়, সেখানে ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে কাজের গতি অনেক দ্রুত হয়েছে।
পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর জানিয়েছে, প্রকল্পের অর্থ সঠিকভাবে খরচ হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত নজরদারি চালানো হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আধিকারিকরা মাঠে নেমে পরিদর্শন করছেন এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
