বহু প্রতীক্ষিত বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। সরকারি ভাবে ঘোষিত ফল অনুযায়ী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়ে সরকার গঠনের পথে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানই প্রধানমন্ত্রী পদে দায়িত্ব নিতে চলেছেন।
নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, মোট আসনের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বিএনপি ও তাদের জোটসঙ্গীরা। রাজধানী ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা— একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে এগিয়ে ছিল বিএনপি প্রার্থীরা।
বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শুভেচ্ছা ও বার্তা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুই নেতার বার্তায় উঠে এসেছে গণতন্ত্র, উন্নয়ন এবং দুই দেশের সুসম্পর্কের প্রসঙ্গ।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর বার্তায় বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, নির্বাচন প্রক্রিয়াকে তিনি গভীর আগ্রহে লক্ষ্য করছেন। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের অগ্রগতি ও স্থিতিশীলতার প্রশংসা করে তিনি জানান, ভারত একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের পাশে রয়েছে। একইসঙ্গে তিনি দুই দেশের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশের সকল ভাইবোনদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তিনি। বাংলাদেশের নির্বাচনের জন্য অভিনন্দন জানিয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ভবিষ্যতেও দুই বাংলার সম্পর্ক সৌহার্দ্যপূর্ণ থাকবে।
দুই নেতার এই বার্তা বাংলাদেশের নির্বাচনকে ঘিরে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক গুরুত্বকেই আরও স্পষ্ট করে তুলেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ হওয়ায় ভারতের শীর্ষ নেতৃত্বের শুভেচ্ছা বার্তা তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
