আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে চলা আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬-এর জন্য ১৫ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য এই মেগা টুর্নামেন্টের ঠিক আগে অজি শিবিরে নেমে এসেছে বড় দুঃসংবাদ। চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গেলেন তারকা পেসার প্যাট কামিন্স।

কামিন্সের চোট ও স্থলাভিষিক্ত
অস্ট্রেলীয় বোলিং আক্রমণের প্রধান ভরসা প্যাট কামিন্স মেরুদণ্ডের চোটের (Spine Injury) কারণে এবারের টি-২০ বিশ্বকাপ খেলতে পারছেন না। তাঁর অনুপস্থিতি নিঃসন্দেহে অস্ট্রেলিয়ার জন্য বড় ধাক্কা। কামিন্সের পরিবর্তে ১৫ সদস্যের মূল দলে জায়গা পেয়েছেন বেন ডোয়ারশুইস।
বিশ্বকাপের মতো মেগা মঞ্চে কামিন্সের অভিজ্ঞতা না থাকায় বোলিং বিভাগে চাপ বাড়বে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
অভিজ্ঞ স্মিথ ও ম্যাট শর্ট ব্রাত্য
চূড়ান্ত দল ঘোষণার ক্ষেত্রে একাধিক কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নির্বাচকরা। প্রাথমিক স্কোয়াডে থাকলেও শেষ মুহূর্তে বাদ পড়েছেন ম্যাট শর্ট। তাঁর জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন ম্যাট রেনশ।
সবচেয়ে বড় চমক অবশ্য স্টিভ স্মিথের বাদ পড়া। সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও স্মিথকে ছাড়াই বিশ্বকাপে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ক্রিকেট মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
মার্শের কাঁধে নেতৃত্বের ভার
আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬-এ অস্ট্রেলিয়াকে নেতৃত্ব দেবেন অলরাউন্ডার মিচেল মার্শ। দলের ভারসাম্য বজায় রাখতে পাওয়ার হিটার ও অভিজ্ঞ অলরাউন্ডারদের ওপর ভরসা রেখেছেন নির্বাচকরা।
গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ট্র্যাভিস হেড ও মার্কাস স্টোইনিস—এই তিন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডারের উপস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়াকে এবারও শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে ধরা হচ্ছে।

বিশ্বকাপের আগে প্যাট কামিন্সের মতো অভিজ্ঞ পেসারের ছিটকে যাওয়া মার্শ বাহিনীর বোলিং গভীরতাকে কতটা প্রভাবিত করবে, সেটাই এখন দেখার। স্মিথহীন অস্ট্রেলিয়া কতটা সফল হয়, সেদিকেও নজর থাকবে ক্রিকেটপ্রেমীদের।
