যোগীরাজ্যে ব্যর্থ পুলিশ প্রশাসন। বারাণসীর গণধর্ষণ নিয়ে রীতিমত তোলপাড় উত্তরপ্রদেশ। একসপ্তাহের বেশি সময় ধরে পুলিশ তল্লাশি চালিয়েও ১১ জন অভিযুক্তকে পুলিশ এখনও ধরতে পারেনি। তার মধ্যেই রাজ্যের কাসগঞ্জে আবার এক গণধর্ষণের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গত ১০ এপ্রিল ১৭ বছরের ওই কিশোরী নির্যাতনের শিকার হয়। পরিবারের তরফে শনিবার অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশ ৫ অভিযুক্তকেই গ্রেপ্তার করেছে। কাসগঞ্জ থানার পুলিশ একাধিক ধারায় অভিযোগ দায়ের করেছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। নির্যাতিতা তাঁর হবু স্বামীর সঙ্গে ঝাল এলাকার এক সেতুতে বেড়াতে যান। সেখানেই তাঁদের ঘিরে ধরে কটূক্তি শুরু করে সাত-আটজন। এরপরেই হঠাৎ তরুণীর বাগদত্তকে মারধরও করা হয়। কেড়ে নেওয়া হয় সঙ্গে যা ছিল। তরুণীকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়। প্রথমে বাড়িতে কিছু না জানালেও নির্যাতিতা ক্রমেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিষয়টি পরিবারের নজরে এলে তারা পুলিশে অভিযোগ দায়ের করে।
এরপরেই তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে পোস্ট করে এই প্রসঙ্গে নিন্দা করা হয়েছে। লেখা হয়েছে, “চাচা বিধায়ক হ্যায় হামারে”
উত্তরপ্রদেশের কাসগঞ্জে ১৬ বছর বয়সী এক নাবালিকাকে তার বাগদত্তার সামনেই গণধর্ষণ করা হয়েছে।
অভিযুক্তদের মধ্যে একজন হলেন অখিলেশ প্রতাপ সিং, যিনি বিজেপির সদস্য এবং বিধায়ক দেবেন্দ্র সিংয়ের ঘনিষ্ঠ।
ডবল ইঞ্জিন রাজ্যগুলিতে ধর্ষকদের মালা পরানো হয়, গৌরবান্বিত করা হয় এবং বিশেষ সুরক্ষা দেওয়া হয়। অথচ অসহায় মানুষদের ভুগতে হয়। এটাই চরম সত্য।”
