শনিবার সকালে মিঠাপুর চেক পোস্টের কাছে নাওদার কুন্দন কুমার হঠাৎ শ্বাসকষ্টে ভুগতে শুরু করেন এবং প্রচণ্ড ঘামতে থাকেন। পাশে ছিলেন তার পরিবার, যারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এসময় পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন গয়া জেলার ২০১৩ ব্যাচের কনস্টেবল অঞ্জনি কুমার গৌরব। ফার্স্ট এইড প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গৌরব অবিলম্বে পরিস্থিতি বুঝে কুন্দন কুমারের ওপর সিপিআর প্রয়োগ করেন।
কয়েক মিনিটের মধ্যেই কুন্দন কুমার সচেতন হয়ে ওঠেন এবং স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে শুরু করেন। পারিবারিক সদস্যরা কনস্টেবলকে কাঁদতে কাঁদতে ধন্যবাদ জানান। কুন্দন পরে কার্ডিওলজিস্টের কাছে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করান।
এই ঘটনাটি স্পষ্ট করে দেখিয়েছে যে, জরুরি পরিস্থিতিতে ফার্স্ট রেসপন্ডারের প্রশিক্ষণ কতটা গুরুত্বপূর্ণ। কনস্টেবল গৌরবের দ্রুত এবং দক্ষ পদক্ষেপ না হলে কুন্দনের জীবন ঝুঁকিতে পড়তে পারত। স্থানীয়রা বলছেন, এটি একটি উদাহরণ যে প্রতিটি নাগরিকের কাছে ফার্স্ট এইডের বেসিক প্রশিক্ষণ থাকা কতটা জরুরি।
স্থানীয় পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে কনস্টেবল গৌরবকে প্রশংসা জানানো হয়েছে এবং সাধারণ মানুষকে সচেতন থাকতে বলা হয়েছে। এই ধরনের দ্রুত সহায়তা জীবন রক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।



