প্রাইম টাইম : বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের বাকি আর দু’মাসও নেই। তার আগেই রাজনৈতিক দলগুলি চলছে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব-ভাঙনের খেলা। এমন সোমবার রাতে কংগ্রেসকে বাই বাই করে যোগ দিলেন বিজেপিতে। কয়েক দশকের দাপুটে কংগ্রেসের নেতা ছিলেন এই সন্তোষ। কিন্তু কংগ্রেসে এখন আর কোনও ‘সন্তোষ’ না থাকায় সোমবার রাতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের কাছ থেকে উত্তরীয় পরে অফিসিয়ালি বিজেপি কর্মী হলেন কংগ্রেসের এই দাপুটে বর্ষীয়ান নেতা সন্তোষ পাঠক। সূত্রে খবর, বিজেপির হয়ে চৌরঙ্গি আসন থেকে তৃণমূলের নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিপরীতে লড়তে পারেন তিনি। অন্যদিকে দিন কয়েক আগে নন্দীগ্রামের বিজেপি নেতা পবিত্র কর তৃণমূলে যোগ দিয়েই নন্দীগ্রাম থেকে টিকিট পেয়ে গিয়েছেন। এবার সে লড়বে তারই এক সময়ের ‘বস’ শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে। আর পবিত্রর বিজেপি থেকে তৃণমূলে এসে টিকিট পাওয়া নিয়ে দলের অন্দরেই দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। ফলে সোমবারই নন্দীগ্রামের তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য যোগ দিলেন বিজেপিতে। দলত্যাগী হয়ে নন্দীগ্রামে গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য দেবাশিস দলপতি বলেন, বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগ দিলেন পবিত্র কর। দলে এসেই টিকিট পেয়ে গেল। আমরা দীর্ঘদিন লড়াই করেও আমাদের কোনও সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে না শাসক দল তৃণমূল। এর কারেণেই দল ছাড়া।
বিজেপি কিছু দলীয় সমর্থকের কথায়, বাংলায় পরিবর্তন না এলে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগ করল পবিত্র কর। উনি এসেই টিকিট পেয়ে গেল।আমরা দীর্ঘদিন লড়াই করে আমাদের কোনও সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে না। এই জন্য আমি দল ছাড়ছি। ভোটের রাজনীতিকে সামনে রেখে একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে অগ্রাধিকার দিয়ে বিভিন্ন সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। রাজ্যের প্রশাসন নিরপেক্ষ ভূমিকা না রেখে দলীয় প্রভাবের অধীনে কাজ করছে বলেও অভিযোগ উঠছে। বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর দমন-পীড়ন ও নিপীড়নের ঘটনাও সামনে আসছে।



