উত্তরপ্রদেশের অন্যতম শীর্ষ সরকারি হাসপাতাল কিং জর্জেস মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি (KGMU)–কে ঘিরে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ৫৩ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক সাদা চুলের বৃদ্ধা মহিলা তাঁর ব্যান্ডেজ করা স্বামীর সেবা করছেন, আর আশেপাশে চিকিৎসক ও হাসপাতালের কর্মীরা দাঁড়িয়ে রয়েছেন।
ভিডিওটি শেয়ার করেন উদ্যোক্তা দিব্যা গান্দোত্রা ট্যান্ডন। তাঁর পোস্টের পরই বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং নেটিজেনদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। অনেকেই এই ঘটনাকে হাসপাতালের পরিকাঠামো ও কর্মীসংকটের সঙ্গে যুক্ত করে দেখছেন।
বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী তাঁদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাও শেয়ার করেছেন। কারও মতে, অনেক সরকারি হাসপাতালে রোগীর প্রাথমিক দেখভালের দায়িত্ব অনেক সময় পরিবারের সদস্যদের উপরেই পড়ে। এই ভিডিও সেই বাস্তবতাকেই সামনে নিয়ে এসেছে বলে মত অনেকের।
তবে ভিডিওটির প্রেক্ষাপট এখনও স্পষ্ট নয়। ওই রোগীর কী চিকিৎসা চলছিল, বা তিনি কোনও অস্ত্রোপচারের পর ছিলেন কিনা—এসব বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি। বিশেষ করে, ভিডিওতে দেখা ব্যান্ডেজের কারণ বা সম্ভাব্য রক্তক্ষরণের বিষয়েও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা মেলেনি।
KGMU in Lucknow, ranked among India’s TOP 10 medical colleges and best in UP yet the ground reality screams mismanagement.
— #YeThikKarkeDikhao (@YTKDIndia) March 17, 2026
If this is the condition of best, imagine rest.
Infras, accountability, patient care everything collapsing under poor governance.https://t.co/ICtjd2INDn
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত KGMU কর্তৃপক্ষ বা উত্তরপ্রদেশের স্বাস্থ্য দফতরের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠকও এ বিষয়ে কিছু জানাননি।
উল্লেখ্য, KGMU দেশজুড়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত এবং জাতীয় স্তরে শীর্ষস্থানীয় হাসপাতালগুলির মধ্যে অন্যতম। সেই প্রেক্ষিতে এই ভিডিও ঘিরে ওঠা প্রশ্নগুলি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ভিডিওটি সত্যিই হাসপাতালের পরিষেবা ব্যবস্থার ঘাটতি তুলে ধরছে, নাকি এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা—তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। তবে এই ঘটনার পর স্বাস্থ্য পরিষেবার মান ও রোগী-পরিচর্যার দায়িত্ব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
