আমেদাবাদ, ৮ মার্চ : তিলকের হাতে বল যেতেই শুরু হয় উৎসব। যেন বহু প্রতীক্ষিত এক মুক্তির মুহূর্ত। এই মোতেরার মাঠেই ২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর অস্ট্রেলিয়ার কাছে হার ভারতের ক্রিকেট ইতিহাসে এক কালো দাগ হয়ে ছিল। দীর্ঘ অপেক্ষা, যন্ত্রণা আর আক্ষেপের পর অবশেষে সেই দুঃস্বপ্ন মুছে গেল।
ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মার কাছে এই জয় যেন শাপমোচনের সমান। ২০২৩ বিশ্বকাপ ফাইনালের সেই হার তাঁকে দীর্ঘদিন তাড়া করেছে। বার্বাডোজে টি–২০ বিশ্বকাপ জয়ের পরও তিনি সেই কষ্টের কথা লুকোননি। কিন্তু অবশেষে মোতেরার মাঠেই মিলল স্বস্তি।
একসময় স্টেডিয়ামে দেখা গেল তিন বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ককে— কপিল দেব, এমএস ধোনি এবং রোহিত শর্মা। এবার সেই এলিট তালিকায় জায়গা পেলেন সূর্যকুমার যাদবও। ভারতের বিশ্বকাপ জয়ের ধারাবাহিকতায় আরেকটি অধ্যায় যুক্ত হল।
ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ভারত ২০ ওভারে তোলে ২৫৫ রান। অভিষেক শর্মার ঝড়ো ৫২, সঞ্জু স্যামসনের ৮৯ এবং ইশান কিশানের ৫৪ রানে বড় স্কোর দাঁড় করায় ভারত। শেষদিকে শিবমের ৮ বলে ২৬ রানের ক্যামিও ইনিংসকে আরও শক্তিশালী করে।
নিউজিল্যান্ডের শুরুটা ভালো হলেও বড় রান তাড়া করতে গিয়ে দ্রুত উইকেট হারায় তারা। অক্ষর প্যাটেল ও জসপ্রীত বুমরার দুরন্ত বোলিংয়ে চাপ বাড়তে থাকে কিউইদের ওপর। শেষ পর্যন্ত ১৫৯ রানে গুটিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড।
ভারতের হয়ে বুমরা নেন ৪ উইকেট এবং অক্ষর প্যাটেল ৩ উইকেট।এই জয়ের মাধ্যমে ভারত টি–২০ বিশ্বকাপে টানা তৃতীয়বার শিরোপা জিতে ইতিহাস গড়ল। মোতেরার মাঠে তাই আর ‘ব্ল্যাক সানডে’ নয়—এদিন ভারতের জন্য শুধুই উৎসবের রাত।
