উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়, জয়নগর : সুন্দরবনে লবনাক্ত মাটির পরিমাণ বেশি হওয়ায় চাষের ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়েন চাষিরা। সুন্দরবনের মাটিতে নোনা জলের প্রভাবে অনেক সময় চাষবাসের ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।ধান চাষের পরবর্তী সময়ে যদি এই চাষ করেন তাহলে জমিতে নোনা ভাব কাটিয়ে ও জৈব সারের প্রয়োজনীয়তা বৃদ্ধি করে। তাই অল্প খরচে অধিক ফলন ফলিয়ে অভিনব পদ্ধতিতে চাষ করে লাভবান হতে পারে কৃষকরা। প্রাকৃতিকভাবে লবণাক্ত মাটির জন্য সুন্দরবন অঞ্চলে সূর্যমুখী চাষের জন্য খুব একটা উপযুক্ত নয় বলেই ধারণা ছিলো বহুদিন। কিন্তু সেই ধারণা ভেঙে দিয়েছেন সুন্দরবন এলাকার কিছু উদ্যমী কৃষক।তারা প্রমাণ করে দিয়েছেন উপযুক্ত যত্ন, সঠিক বীজ এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করলে এই প্রতিকূল মাটিতে ও সূর্যমুখী চাষ সম্ভব। সুন্দরবনের বুকে গড়ে উঠছে রঙিন ফুলের বাগান। সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ফুল আমরা দেখতে পাই। তার মধ্যে অন্যতম এই সূর্যমুখী ফুল। শুধু সৌন্দর্যের কাজ নয় তার সাথে সূর্যমুখী তেল আমাদের অনেকটাই স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যের তেলের উপযোগী। আর এই চাষে নজর কাড়ছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগর, কুলতলি, দক্ষিণ বারাশত, বারুইপুর এই সমস্ত এলাকায়। প্রাকৃতিকভাবে লবণাক্ত মাটির জন্য সুন্দরবন অঞ্চলে সূর্যমুখী চাষের জন্য খুব একটা উপযুক্ত নয় বলেই ধারণা ছিল বহুদিন। কিন্তু সেই ধারণা ভেঙে দিয়েছেন এলাকার কিছু উদ্যমী কৃষক। তারা প্রমাণ করে দিয়েছেন উপযুক্ত যত্ন, সঠিক বীজ এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করলে এই প্রতিকূল মাটিতেও সূর্যমুখী চাষ সম্ভব। আর তাই এখানে সফলভাবে চাষ হচ্ছে।আর এই চাষ দেখেআনন্দে মেতে উঠেছেন স্থানীয় মানুষজন। মাঠে মাঠে একের পরে সূর্যমুখী গাছে ফুল ফুটে রঙিন হয়ে আছে এলাকা।দক্ষিণ ২৪ পরগনাই হয়ে উঠেছে ফুলের এক নতুন উপত্যকা। তবে সমস্যা একটাই সুন্দরবনের প্রতি বছর কখনও ঘূর্ণিঝড়,কখনও অতিবৃষ্টি, আবার কখনও কীটপতঙ্গের আক্রমণে প্রচুর ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় কৃষকদের। যার কারণে চাষীদের আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখেও পড়তে হয়।তবে এই জেলাতে বর্তমানে সূর্যমুখী চাষ হচ্ছে এবং সহজেই বাজারে পাওয়া যাবে।এর ফলে কৃষকদের আয় যেমন বাড়ছে, তেমনি ফুল প্রেমী মানুষরা পাচ্ছেন নতুন শৌখিন মনোভাব।
সুন্দরবনের লবনাক্ত মাটিতে সূর্যমুখী চাষ, লাভবান কৃষকরা
