নিজস্ব: এসআইআর নিয়ে জাতীয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার মঙ্গলবার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের দিন ঘোষনা করেছেন চলতি মাসের ২৮ তারিখ। সাংবাদিক বৈঠক করে এদিন সন্ধ্যায় জ্ঞানেশ কুমার জানান, ১৪ তারিখ পর্যন্ত চলবে শুনানি। ২৮ তারিখ প্রকাশ করা হবে চূড়ান্ত তালিকা।
মঙ্গলবার যুবসাথী নিয়ে নবান্নে ঘোষনার পর সন্ধেয় কালীঘাটের বাড়িতে ফিরে মুখ্যমন্ত্রী কাউন্সিলর ও বিএলএ-দের নিয়ে বৈঠক করেন। এই বৈঠকের মূল নির্যাস ছিল— চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত প্রত্যেককে মাটি কামড়ে পরে থাকতে হবে। বাংলাবিরোধী বিজেপিকে একটুও জমি ছাড়া যাবে না।
মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ও দেবাশিস কুমারের উপস্থিতিতে বিএলএ’দের নেত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আপনারা এসআইআর পর্বে অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন। আরও কয়েকটি দিন এই পরিশ্রম চালিয়ে যেতে হবে। বিজেপিকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়া যাবে না। নেত্রীর নির্দেশ, এই যে শুনানির দিন বাড়ল, এই ক’টা দিন নতুন করে কারা ডাক পাচ্ছেন, কারা যেতে পারছেন না, কাদের নাম বাদ পড়ার সম্ভাবনা সব দেখে শুনে নোট করতে হবে। এদের পাশে দাঁড়াতে হবে। এই কেন্দ্রের একজন বৈধ ভোটারের নামও যাতে বাদ না পড়ে তা সুনিশ্চিত করতে হবে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মনে করিয়ে দেন, সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বাইরে থেকে আসা মাইক্রো অবজারভারদের ক্ষমতা খর্ব হয়েছে। ওরা চাইলেও আর নাম বাদ দিতে পারবে না। শেষ কথা বলবেন ইআরও-রা। কিন্তু তবুও চোখ-কান খোলা রেখে সবটা নজরে রাখতে হবে। কোথাও কোনও সমস্যা দেখা দিলে দলকে তৎক্ষণাৎ জানাতে হবে।
খুব স্বাভাবিক ভাবেই মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে অভয় পেয়ে উজ্জীবিত হন কাউন্সিলর থেকে শুরু করে সেখানে থাকা বিএলও-রাও।
এসআইআর: কাউন্সিলর-বিএলওদের ‘পেপটক’ মুখ্যমন্ত্রীর
