বি. নাথ : অনেক টালবাহানার পর অবশেষে উচ্চ আদালতের নির্দেশে রবিবার হালিশহর রামপ্রসাদ বিদ্যাপিঠে হাজিরা দিলেন বীজপুর কেন্দ্রের বিজেপির যুব নেতা সুদীপ্ত দাস। প্রসঙ্গত, খসড়া ভোটার তালিকা থেকে সুদীপ্তের নাম বাদ হয়ে যায়। এরপর তিনি ৬ নম্বর ফর্ম পূরণ করেন। পরে তাঁকে কাঁচরাপাড়া পুরসভায় শুনানির জন্য ডাকা হয়। কিন্তু আদালতের নির্দেশ হয়েছে তিনি বীজপুর থানা এলাকায় ঢুকতে পারবেন না। কিন্তু কাঁচরাপাড়া পুরসভা বীজপুর থানা এলাকার মধ্যে পড়ে। সুতরাং তিনি কাঁচরাপাড়া পুরসভায় শুনানির জন্য যেতে পারবেন না। সুদীপ্ত জানান, শুনানির জন্য তিনি এসডিও এবং এইআরও-র কাছে আবেদন করেন। সেই আবেদনের ভিত্তিতে নোটিশ পাঠিয়ে বারাসতে এইআরও-র কাছে ৭ নম্বর ঘরে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল। দু’দিন বাদেই কোনও অজ্ঞাত কারণে সেই নোটিশ বাতিল হয়ে যায়। এরপর তিনি একপ্রকার বাধ্য হয়েই উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন। অবশেষে আদালতের নির্দেশে এদিন তিনি শুনানি কেন্দ্রে হাজিরা দিলেন।
সুদীপ্তের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের অধীনে যারা কাজ করছেন ইআরও কিংবা এইআরও। এঁরা সবাই রাজ্য সরকারি কর্মচারী। হয়তো এঁরা শাসকদলের চাপে পড়ে নোটিশ বাতিল করে দিয়েছেন। সুদীপ্তের আরও অভিযোগ, সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান হওয়া সত্ত্বেও, তাঁকে ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হিমশিম খেতে হয়েছে। তাঁর দাবি, বীজপুরে গণতন্ত্রের সংজ্ঞা বদলে দিয়েছে তৃণমূল। কিন্তু ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর বিজেপি ক্ষমতায় এলে শুধু বীজপুর কেন্দ্র নয়, গোটা বাংলায় গণতন্ত্রের সংজ্ঞার পরিবর্তন ঘটবে।
উচ্চ আদালতের নির্দেশে শুনানি কেন্দ্রে হাজিরা বিজেপির সুদীপ্ত দাসের
