মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রকে কটাক্ষে ভাসালেন : ফ্রেট করিডর ‘মিথ্যে কথার ফুলঝুরি’

দীর্ঘদিন ফ্রেট করিডরের দাবি জানাচ্ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তিনি রেলমন্ত্রী থাকার সময়ই ৬টি ফ্রেট করিডর ঘোষণা করেছিলেন।

এই পরিস্থিতিতে, ২০২৬-২৭ সালের বাজেটে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন
সাতটি হাই-স্পিড রেল করিডর এবং নতুন একটি ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর তৈরির
ঘোষণা করেন।

তবে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রকে ধুয়ে দিলেন।
তিনি বলেন, এটি কেবল “মিথ্যে কথার ফুলঝুরি”।
রবিবার বাজেট পেশের পরে দিল্লি যাওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বাংলার প্রতি বঞ্চনা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন।

কেন্দ্রীয় বাজেটে অর্থমন্ত্রী জানালেন,
ডানকুনি থেকে সুরাত একটি ফ্রেট করিডর হবে।
বারাণসী থেকে শিলিগুড়ি হাই-স্পিড রেল করিডর হবে।
মুম্বই-পুণে, পুণে-হায়দরাবাদ, হায়দরাবাদ-বেঙ্গালুরু,
হায়দরাবাদ-চেন্নাই, দিল্লি-বারাণসী এবং বারাণসী-শিলিগুড়ি
হাই-স্পিড রেল করিডর হবে।

সীতারামনের কথায়,
“প্রস্তাবিত হাই-স্পিড করিডরগুলি দেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক,
শিল্প ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলিকে যুক্ত করবে।
এতে যাত্রার সময় কমবে, লজিস্টিক্স দক্ষতা বাড়বে এবং
ভারসাম্যপূর্ণ আঞ্চলিক উন্নয়ন হবে।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,
রেলমন্ত্রী থাকাকালীনই ডানকুনি ফ্রেট করিডর ঘোষণা করেছিলেন।
কিন্তু কেন্দ্রের ঘোষণাগুলি বাংলার জন্য বাস্তবতা থেকে অনেক দূরে।
তিনি আরও জানান,
ডানকুনি থেকে সুরাত ফ্রেট করিডর, বারাণসী থেকে শিলিগুড়ি
সবকিছু নিয়েও বাংলার প্রতি বাজেটের অগ্রাহ্যতা স্পষ্ট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *