পুজোর এখনও অনেক দেরি, অথচ তার আগেই টলিপাড়ার বক্স অফিসে কার্যত ঝড় তুলেছে দেব-শুভশ্রীর নতুন ছবি ‘দেশু ৭’

সোমবার দেব ও শুভশ্রী একসঙ্গে ফেসবুক লাইভে এসে জানান, ভারতীয় সিনেমায় এই প্রথম ফার্স্ট ডে ফার্স্ট শো ঘিরে এক ঐতিহাসিক ইভেন্ট হতে চলেছে। আর সেই ঘোষণার পর থেকেই পুজো রিলিজের দৌড়ে বাড়তি চাপে পড়েছে বাকি ছবিগুলি।

২০২৬ সালের পুজোয় মুক্তি পেতে চলা এই ছবিকে ঘিরে উন্মাদনা এতটাই যে, মুক্তির প্রায় দশ মাস আগে থেকেই অগ্রিম বুকিং শুরু করে দিয়েছেন প্রযোজক-অভিনেতা জুটি। নাম বা কাহিনি নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও দর্শকের উৎসাহে একটুও ভাটা পড়েনি। বরং প্রথম দিনেই ‘গোল্ড টিকিট’-এর চাহিদা ছুঁয়েছে আকাশ।

প্রযোজনা সংস্থার দাবি অনুযায়ী, মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিক্রি হয়েছে ৩৫১২টি টিকিট। সল্টলেক, বারাসত, চন্দননগর থেকে শুরু করে বহরমপুরের একাধিক নির্ধারিত প্রেক্ষাগৃহে মুহূর্তের মধ্যেই টিকিট শেষ হয়ে যায়। যদিও কিছু এলাকার হল এখনও পুরোপুরি ভরেনি, তবে এই বুকিং ট্রেন্ড বজায় থাকলে খুব দ্রুত সেগুলিও হাউসফুল হবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে টলিপাড়ায় অগ্রিম বুকিং ও হাউসফুল সংখ্যাকে ঘিরে যে বিতর্ক নতুন নয়, তা বলাই বাহুল্য। তবুও এত আগে বুকিং শুরু হওয়ায় বাকি পুজো রিলিজগুলির জন্য উদ্বেগ বাড়ছে। সামনে আসছে শো টাইম ও প্রাইম স্লট দখলের লড়াই। প্রতি বছরই এই সময়ে হল বণ্টন নিয়ে মতবিরোধ দেখা যায়, ওঠে ‘মাৎস্যন্যায়’-এর অভিযোগও।

এই প্রেক্ষাপটে অনেকের প্রশ্ন—এত বড় স্ট্র্যাটেজির আড়ালে কি সত্যিই বাংলা সিনেমার সুস্থ প্রতিযোগিতা বজায় থাকছে, নাকি পুজোর বক্স অফিস ক্রমশ একতরফা দখলের দিকেই এগোচ্ছে?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *