শিল্প নিয়ে মিলবে কি স্পষ্ট বার্তা?মোদির সভার পর মাসের মধ্যেই সেখানে মমতা

রবিবার সিঙ্গুরে জনসভা করে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সভার আগে স্থানীয় বিজেপি নেতাদের তরফে শিল্প সংক্রান্ত বড় ঘোষণার ইঙ্গিত দেওয়া হলেও প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে সেই বিষয়ে কোনও উল্লেখ পাওয়া যায়নি। বিষয়টি ঘিরে রাজ্য বিজেপির অন্দরমহলে প্রশ্ন ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।
এই আবহেই আগামী ২৮ জানুয়ারি সিঙ্গুরে জনসভা করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, ওই সভামঞ্চ থেকেই ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের কিস্তির টাকা বিতরণ করা হবে। মুখ্যমন্ত্রীর সফরের খবরে হুগলি জুড়ে তৎপরতা ও প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
মোদির সভার পরপরই মমতার উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে শিল্প সংক্রান্ত কোনও বার্তা বা নতুন সিদ্ধান্ত সামনে আসে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল তুঙ্গে। কারণ এরই মধ্যে সিঙ্গুরে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার বিনিয়োগে রাজ্য সরকারের অনুমোদন মিলেছে। ১১.৩৫ একর জমি বরাদ্দ হয়েছে এবং প্রকল্পের কাজও শুরু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, একসময় শিল্পায়নের নামে কৃষিজমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে আন্দোলনের কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল সিঙ্গুর। সেই আন্দোলন থেকেই রাজনৈতিক উত্থান ঘটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের, যিনি পরে রাজ্যের প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হন। ক্ষমতায় থাকার ১৫ বছর পর আবারও সিঙ্গুরকে ঘিরে তৈরি হচ্ছে নতুন রাজনৈতিক ও শিল্প সংক্রান্ত সমীকরণ।
