পরিস্থিতি স্বাভাবিক করাই এই মুহূর্তে বাংলার পুলিশের মূল লক্ষ্য, কারা অশান্তি করল, এর পিছনে কোনও প্ররোচনা ছিল কি না, সেসব খতিয়ে দেখা হবে। সোমবার এই কথাই স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন রাজ্য পুলিশের এডিজি আইন-শৃঙ্খলা জাভেদ শামিম (Jawed Shamim)। গত শুক্রবার থেকে মুর্শিদাবাদের সামসেরগঞ্জ, সুতি, ধুলিয়ান উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এরপরেই চলে বোমাবাজি। গত শনিবার মুর্শিদাবাদে পৌঁছে যান রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার।
আজ, সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জাভেদ শামিম জানান, মুর্শিদাবাদের পরিস্থিতি এখন শান্তিপূর্ণ। দ্রুত পুরোপুরি স্বাভাবিক করা হচ্ছে। তবে গুজব ছড়ানো থেকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, “এখনও অনেক গুজব ছড়াচ্ছে। যত বেশি গুজব ছড়াবে, ততক্ষণ পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া খুব কঠিন। মানসিক অস্থিরতা আগে কমানো দরকার। অনেক জায়গা থেকে হামলা বা বোমা উদ্ধারের খবর নিয়ে ফোন আসছে। তবে ৯৯ শতাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে সেগুলো গুজব। বেশিমাত্রায় গুজব ছড়াচ্ছে। কেউ ফোন করে বলছে হামলা হয়েছে, ৯৯ শতাংশ ক্ষেত্রেই সেগুলো ভুল বলে প্রমাণিত হচ্ছে। সেই কারণেই ইন্টারনেট বন্ধ রাখা হচ্ছে।”
এখনও পর্যন্ত মোট এফআইআরের সংখ্যা দশের বেশি। আরও বাড়তে পারে সময়ের সাথে। এখনও পর্যন্ত ২০০ জনের বেশি মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাইরে থেকে প্ররোচনার কথা একেবারেই উড়িয়ে দিচ্ছেন না জাভেদ শামিম। এদিন তিনি বলেন, “যে ঘটনা ঘটেছে, যে প্রোফাইলের লোক জড়িত আছে। তাতে কোনও প্ররোচনার কথা অস্বীকার করা যায় না। কারা জড়িত, কী উদ্দেশ্য, সবটাই বের করা হবে। তবে সবার আগে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হবে। এখানে মানুষ অনেক বেশি সচেতন। তাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় দ্রুত। দ্বিতীয়বার যেন এমন ঘটনা না ঘটে, সেটা দেখতে হবে।”
